নাইট ক্লাবে ❝তাহাজ্জত নামাজ❞ পড়তে গিয়েছিল সেদিন রাতে, অভিযোগ উঠেছে পরির বিরুদ্ধে।

 সম্প্রতি যোগাযোগ মাধ্যম সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ইস্যু যা হচ্ছে পরি মনির ধর্ষণের চেষ্টা। এ নিয়ে সারা দেশ জুড়ে শুরু হয়ে গেছে আলোচনা ও সমালোচনার ঝড়। চুপ নেই কারো মুখ, কেউ বলছে তার ভালো, আবার কেউ বলছে তার খারাপ বিষয়।  একের পর এক ভাইরাল হচ্ছে তার বিষয়ে আজে বাজে কন্টেন্ট। 




গভীর রাতে নাইট ক্লাবে একটা মেয়ে কিভাবে বন্ধুদের সাথে সময় কাটাতে যায়,?  বিষয় টি ধর্মীয় ভাবে না ভেবে একটু প্রকৃত সুস্থ্য সামাজিক ভাবে বিষয় টি একটু ভেবে দেখুন. বিষয় টা কতটা নিচু শ্রেণীর মেয়েদের কাজ, ইংরেজদের স্টাইল, কালচার গ্রহণ করর আর কতটা ভালো থাকতে চায়, যেটুকু ভালো আছে সেটুকুই তো বেশি, কেননা বিজাতীরা তাদের নিজেদের কালচার ব্যবহার করে নিজেরা পশুর মতো হয়ে গেছে,  তারা দিনে দুপুরে যাকে ইচ্ছে তাকে যেখানে ইচ্ছে সেখানেই, (চাহিদা) পুরণ করছে, মা, বাবা,ভাই,বোন, কেও তফাত করে না, তারা তো তাকে ধর্ষণ বলে না, তাকে বলে এনজয়, মজা, ফ্রী সেক্স, তারা অর্ধউলঙ্গ থাকতে পছন্দ করে, এটাই হলো তাদের সাংস্কৃতি, বিজাতীয় কালচার । তাদের মতো নিজেকে যৌন ভোগ সমগ্রী হিসেবে রাস্তা ঘাটে, অফিসে বাজারে নাইট ক্লাবে উপস্থাপন করেছে,  তাহলে কেন হয়রানির শিকার হবে না?

গণমাধ্যমে ঘুরাঘুরি করছে তার এই বিষয় টি। তবে আজ নতুন করে তাহাজ্জত নামাজ পড়ার অভিযোগ উঠেছে পরির বিরুদ্ধে,,  সোশ্যাল মিডিয়ায় কেউ কেউ দাবি করছে বা কেউ আবার প্রশ্নবোধক চিহ্ন ব্যাবহার করছে তার এই বিষয় টি তে,  বলা হচ্ছে.....















0/আপনার মতামত জানান